বালুরঘাটে দুয়ারে সরকার " প্রকল্প - Republic News Post

STAY WITH VIDEO

Post Top Ad

Tuesday, 12 January 2021

বালুরঘাটে দুয়ারে সরকার " প্রকল্প

 





নিজস্ব প্রতিনিধি কলকাতা  ১২ই জানুয়ারি

বালুরঘাট ; একদিকে যখন রাজ্যের জনগনের হাতের নাগালে সরকারি সুযোগ সুবিধে পৌছে দিতে " দুয়ারে সরকার " প্রকল্প নিয়ে পৌছে যাচ্ছে। তখন দক্ষিন দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ব্লকের কুয়ারন এলাকার মুন্না মহন্ত নামে এক চাকরি না পাওয়া বেকার যুবক  নিজের পরিবারের পেট ভরাতে নিজ উদ্যোগে চালানো  হাস মুরগীর পোল্ট্রি ফার্মকে একটু বড় আকারে করবার জন্য সরকারি আর্থিক সুবিধে পাওয়ার জন্য সরকারি দপ্তরে  হন্যে হয়ে ঘুরে ঘুরে বিমুখ হয়ে পড়েছেন।তাই চাকরি না পেয়ে নিজ উদ্যোগে ব্যবসা চালিয়ে পরিবারের দিনগুজরান নিয়ে ঘোর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন  ওই মুন্না মহন্ত নামে  যুবক।


এমনিতেই লকডাউন চলার সময় টানা পাচ মাস পরিবহন জনিত সমস্যায় ক্ষুদ্র এই ব্যবস্যায় আর্থিক ভাবে ক্ষতির সম্মুক্ষীন হয়েছে তার পোল্ট্রি ফার্ম।  তার উপর এই পোল্ট্রি ফার্মটিকে একটু চাংগা করে আর্থিক ভাবে লাভের মুখ দেখা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় এই ফার্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় সে ও তার পরিবার।  


মুন্না মহন্ত নামে ওই যুবক জানিয়েছে ২০১৭ সালে মাত্র ২১ টি  হাসের বাচ্চা নিয়ে তার  পোল্ট্রি ফার্ম শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তার ফার্মে ৯০০ টি বাচ্চা ও ২০০ টি ডিম পাড়া গোল্ডেন ৩০০,  হাইক্যাম্বেল ও ওয়েবকিং প্রজাতির হাস রয়েছে। পাশাপাশি ডিম ফুটিয়ে বাচ্চা তৈরির মেশিনের মধ্যমে বাচ্চা ফুটিয়ে সেই বাচ্চা ও ডিম বিক্রি করে  কোনরকমে পরিবারের মুখে হাসি ফুটিয়ে চলেছেন। তার এই কাজে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তার মা,  স্ত্রী ও বোন।তার অভিযোগ ইচ্ছে থাকলেও তিনি এই ফার্মে বেশ কয়েকজনকে নিযুক্ত করে তাদের বেকারত্ব ঘুচাতে পারতেন।কিন্তু মাইনে দেবার অনিয়শ্চয়তার জন্য ইচ্ছে থাকলেও সে পথে হাটতে পারছেন না। সেদিকে লক্ষ রেখে এলাকার বেশ কিছু বেকারকে কাজ পাইয়ে দেবার লক্ষ নিয়ে ফার্মটিকে বড় করে চালাবার জন্য বেশ কয়েকবার বিডিও অফিসে সরকারি সাহায্যের জন্য দরবার করলেও খালি হাতে তাকে ফিরতে হয়েছে।  যার জন্য তার সেই ইচ্ছে ইচ্ছেই থেকে গেছে পুর্ন করা আর সম্ভবপর করে তোলা যায় নি বলে তার আক্ষেপ। 

মুন্না মহন্ত আরো জানান সরকার যখন বেকার সমস্যা সমাধানের জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহন করছে তখন এভাবে সরকারি সাহায্যের আশায় দপ্তরে গিয়ে ফিরে আসায় তার মত অনেকেই আজ হতাশ হয়ে নিজ উদ্যোগে কিছু করবার লড়াই চালানোর থেকে সরে দাঁড়িয়ে থাকছে। তার দাবি অবিলম্বে সরকারের উচিত এই সব আমাদের মত বেকার যুবকদের ক্ষুদ্র ব্যবসায় সরকারি সাহায্য প্রদানের ব্যবস্থ্যা করে সেই সব স্বনিযুক্ত উদ্যোগীদের স্বপ্ন সফল করে তুলবার জন্য হাত বাড়িয়ে দেওয়া। তিনি আরও জানান সরকারি সাহায্য পেলে তিনি যেমন বর্তমানে এই ফার্ম থেকে ২০ হাজারের মত মাসিক রোজগার করছেন।সরকারি সাহায্য পেলে তা ৪০ হাজারেরভুপর রোজগার যেমন করতে পারবেন।তেমনি সরকারি অর্থ ফেরত দিয়ে বেশ কয়েকজন বেকার যুবকের কাজ দিয়ে তাদের ও তাদের পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পারতেন বলে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেন। 

এখন দেখার সরকার তার মত বেকার যুবকদের অভিযোগ শুনে তাদের সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দেয় কিনা ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad